-->

I LOVE TO GAMING

I AM

image
Hello,

I'm Nadeem

Nadeem Hussain is a Bangladeshi YouTuber and Content Creator, uploading videos on his channel about different mysteries, strange events, different discoveries, strange places, etc. in different parts of the world.

He was born in a conservative Bengali Muslim family with strict-disciplinarians parents, in Munshibag, Narayanganj District. He would listen to the radio for hours during his childhood. Television was not allowed into the house before he completed his junior school.His entry into show-business happened by chance. On a rainy evening in 2016 when Nadeem was in his first year of college (Dania University College), he was on his way home from the laundry and happened to read Online newspaper in which the washer-man had wrapped his clothes.

His eyes fell upon an advertisement which said that auditions were being held for radio jockeys for a Online radio station to be launched soon in Dhaka. Apart from making people laugh with his jokes on the radio, Nadem explored his comic side by competing events.


Education
National University of Finance

Master of Business Administration

National University of Finance

Bachelor of Business Administrations

Higher Secondary Certificate

Business studies


Experience
Lead Developer

State Art company

UI/UX Developer

Design Corporation

Front-End Developer

Creative Design Studio


My Skills
Design
Programming
Branding
Marketing

764

Awards Won

1664

Happy Customers

2964

Projects Done

1564

Photos Made

WHAT CAN I DO

Web Design

Fusce quis volutpat porta, ut tincidunt eros est nec diam erat quis volutpat porta

Responsive Design

Fusce quis volutpat porta, ut tincidunt eros est nec diam erat quis volutpat porta

Graphic Design

Fusce quis volutpat porta, ut tincidunt eros est nec diam erat quis volutpat porta

Clean Code

Fusce quis volutpat porta, ut tincidunt eros est nec diam erat quis volutpat porta

Photographic

Fusce quis volutpat porta, ut tincidunt eros est nec diam erat quis volutpat porta

Unlimited Support

Fusce quis volutpat porta, ut tincidunt eros est nec diam erat quis volutpat porta

SOME OF WORK

Amin Al Nadeem 03

Amin Al Nadeem 02

Amin Al Nadeem 01

বাংলাদেশের সেরা ৫টি ভুতুড়ে স্থান


কলকাতার ভুতুড়ে স্থানের উপর আমাদের তৈরি ভিডিওটি দেখার পর থেকে অনেকেই আমাদের ব্লগে, ফেসবুকে এবং ইউটিউবে অনুরোধ করে আসছেন বাংলাদেশের ভুতুড়ে স্থানগুলো নিয়ে ভিডিও চিত্র নির্মাণের জন্য। তাদের ইচ্ছার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা বাংলাদেশের ভুতুড়ে স্থান নিয়ে অনুসন্ধান চালিয়েছি। সেই তথ্য অনুসন্ধান করতে গিয়ে আমরা বাংলাদেশের বেশ কিছু ভুতুড়ে স্থান সম্পর্কে জানতে পেরেছি। তারই ধারাবাহিকতায় আজ আমরা বাংলাদেশের ৫টি ভুতুড়ে স্থান এর উপর ভিডিও নিয়ে হাজির হয়েছি। থ্রিলার মাস্টারের সাথেই থাকুন।


চলনবিল ঃ জমিদার ও তিন মন্দির রহস্য

চলনবিল বাংলাদেশের ভ্রমনপিপাসু মানুষের কাছে একটি পছন্দের নাম। প্রতি বছর প্রচুর দেশি বিদেশি পর্যটক সেখানে ভ্রমন করতে যান। কিন্তু নয়নাভিরাম সৌন্দর্যের পাশাপাশি ভৌতিক স্থানের বিচারেও শোনা যায় এই চলনবিলের কথা। এটি বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত সবচেয়ে বড় বিল। মূলত নাটোর, সিরাজগঞ্জ ও পাবনা এই তিন জেলা জুড়ে এটি বিস্তৃত। তবে ভুতুড়ে স্থান বলতে শুধুমাত্র সিরাজগঞ্জের আশে পাশের অঞ্চলকে বোঝানো হয়ে থাকে।

আমাদের এই ভূতুড়ে কাহিনীর মূলবিন্দু হচ্ছে সেই সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াস নামক উপজেলা। শোনা যায়, চলনবিলের এই এলাকায় অনেক আগে একজন নামকরা জমিদারের বসবাস ছিলো। প্রজাদের ধারনা ছিলো জমিদার ছিলেন অতিপ্রাকৃত ক্ষমতার অধিকারী। কিন্তু একদিন রাতে কোণ এক অজ্ঞাত কারণে হঠাৎ করে জমিদার মারা গেলেন। আর সেই রাতের ভেতরেই সেখানে গজিয়ে উঠলো তিন- তিনটি মন্দির! আরও হতবাক করা ব্যাপার হচ্ছে যে- মন্দিরটি পরের দিনই নিজ থেকে ভেঙ্গে পড়ে যায়।

আর সেই থেকেই লোকমুখে এই তিনটি মন্দির ও মধ্যবর্তী বিলের এলাকাটির উপর ভুতুড়ে প্রভাব আছে বলে লোকমুখে শোনা যেতে লাগলো। তবে অনেকেই বলে থাকেন, ভুত প্রেত কিছু নেই কিন্তু চলনবিলের এই অঞ্চলে জ্বীনের প্রভাব আছে। বিশেষ করে রাতের বেলা চলনবিল পাড়ি দিতে গিয়ে অনেকেই জ্বীনের আছরের শিকার হয়েছেন বলে শোনা যায়। এমনকি অনেক পথিকও অশরীরির উপস্থিতি আঁচ করতে পেরেছেন বলে জনশ্রুতি আছে। তাই রাতের বেলা এইদিকে মানুষের আনাগোনা একদম কম থাকে।

ফয়েস লেক ঃ সাদা শাড়ি ও কালো শাড়ির রহস্য

বাংলাদেশের ৫টি ভুতুড়ে স্থান এর মধ্যে একটি হচ্ছে ফয়েস লেক। তবে নয়নাভিরাম সৌন্দর্যের জন্য বাংলাদেশের মানুষের কাছে এক দুর্বার আকর্ষণের নাম হচ্ছে ফয়েস লেক। তবে অবাক হওয়ার মতো বিষয় হচ্ছে- সৌন্দর্যের পাশাপাশি নানা ধরণের ভুতুড়ে গল্পের জন্যেও ফয়েস লেকের নামডাক আছে। এইখানে প্রচলিত ভুতুড়ে গল্পের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শোনা যায় সাদা শাড়ি – কালো শাড়ির গল্প। অনেকে বলে থাকেন এখানে নাকি একজন সাদা পোশাক পরিহিত এবং একজন কালো পোশাক পরিহিত রহস্যময় নারীর উপস্থিতি এখানে লক্ষ করা গেছে। স্থানীয় বয়স্ক ব্যক্তিরা বলেন এই দুজন নারীর এই স্থানে মৃত্যু হয়েছিলো, কিন্তু তাদের অতৃপ্ত আত্মা স্থানটি ছেড়ে কখনো যায়নি। কালো পোশাক পরিহিত নারীটি নাকি হুটহাট সন্ধ্যার সময় লেকের পাশে হন্টনরত মানুষের সামনে এসে ভয় দেখায়। কিন্তু সাদা পোশাক পরিহিতা নারীটি ভাল, সে বিপদে পড়া মানুষকে সাহাজ্য করে থাকে। বলা বাহুল্য যে এই সমস্ত তথ্যের নিরেট প্রমান আজ পর্যন্ত কেউই দেখাতে পারেনি। কিন্তু কেন এত ভুতুড়ে গল্প প্রচলিত হয়েছে ঐ পাহাড় ঘেরা এলাকাটি নিয়ে- তা কেউ ই জানে না।

পার্কি বিচ – অতৃপ্ত মাঝিদের গল্প

সৌন্দর্য আর রহস্য কি সব সময় পাশাপাশি অবস্থান করে? তা নাহলে এত সুন্দর পার্কি বিচকে ঘিরে আবার রহস্যময় গল্প শোনা যায় কেন? লম্বায় প্রায় ১৫ কিলোমিটার; ৩০০-৩৫০ ফিট চওড়া এবং ২০ কিলোমিটার ঝাউবনযুক্ত এই সৈকতটি অত্যন্ত নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অধিকারী। কিন্তু ভৌতিক স্থানের তালিকায় একে রাখতে হচ্ছে কারন অনিন্দ্যসুন্দর এই সমুদ্র সৈকতকে ঘিরেও প্রচলন আছে ভৌতিক কাহিনীর। সবচেয়ে বেশি যে ব্যাপারগুলো শোনা যায় তা হচ্ছে সন্ধ্যার পর এই স্থানে মাঝে মধ্যে অদ্ভুদ পদশব্দ, চিৎকার ও ভুতুড়ে আওয়াজ শুনতে পাওয়া যায়। অনেক পর্যটক ও স্থানীয় ব্যক্তি কৌতূহলবশত অনুসরণ করে এসব শব্দের উৎস খুঁজে বের করবার চেষ্টা করলেও প্রকৃতপক্ষে কোনো উৎসই খুঁজে পাওয়া যায়নি। অনেক সময় মনে হয় শব্দগুলো পানির ভেতর থেকে আসছে। আবার কখনো সেটি পার্শ্ববর্তী বন থেকে আসছে বলে মনে হয়। শব্দগুলো যেনো কৌতূহলী মানুষকে পানিতে টেনে নিয়ে যেতে চায়।

সেখানে পর্যটক হিসেবে আগত এক দম্পতির মুখে শোনা গেছে- বিচে সূর্যাস্তের পর সান্ধ্যকালীন ভ্রমণের সময় তাদের দুজনেরই নাকি মনে হচ্ছিলো কোনো অশরীরী তাদের ওপর চোখ রাখছে। মনে হচ্ছে যেন অদৃশ্য কেউ তাদের অনুসরন করে পেছনে পেছনে আসছে। তাদের এই অনুভূতি মোটেলে ফেরার আগ পর্যন্ত হয়েছে। এই একই ঘটনা অনেকেই বলেছেন। তবে কারো কোণ ক্ষতি হয়েছে- এমনটা আজ পর্যন্ত শোনা যায়নি।

এছাড়াও মাঝ ধরার নৌকা নিয়ে সাগরে যাওয়া মাঝিরা অনেকেই বলেছেন যে এদিকের গভীর সাগরে নৌকাসহ এক বুড়ো নাবিকের দেখা মেলে। কখনো একজনকে আবার কখনো বা অনেককে তাদের নৌকা নিয়ে গভীর সাগরে যেতে দেখা যায়। নাবিকেরা ধারণা করেন যে- সাইক্লোনের সময় নৌকা পাড়ে ভেড়াতে ব্যর্থ হওয়া যে সব নাবিক মৃত্যুমুখে পতিত হয়, তাদেরই আত্মা এখনো নৌকোসমেত মাঝ সাগরে পাড়ি জমায়। যদিও এ সকল ঘটনার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই, তবুও অনেক পর্যটক ও স্থানীয় মানুষের দাবী তারা এগুলো চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ করেছেন।

সুন্দরবন – ফটোগ্রাফারের মৃত্যু রহস্য

বাংলাদেশের ৫টি ভুতুড়ে স্থান এর তালিকায় সুন্দরবনকে দেখে অনেকেই হয়তো অবাক হচ্ছেন। তবে বিস্ময়কর হলেও সত্যি সুন্দরবনের কুমির ও বাঘের পাশাপাশি অন্য বিপদের কথাও শোনা যায়। কিন্তু কি সেই বিপদ তা স্পষ্ট করে কেউ বলতে পারে না। বাংলাদেশ ও ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে অবস্থিত এই সুন্দরবন হচ্ছে পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট। ইতিমধ্যে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে সুন্দরবন স্বীকৃতি পেয়েছে। তবে নব্বই এর দশকে এমন একটা ঘটনা ঘটেছিল যার কারনেই আজকের এই তালিকায় সুন্দরবনকে স্থান দিয়েছি আমরা। প্রকৃতিকে কাছ থেকে একনজর দেখতে সেখানে গিয়েছিল একটি দল। এ দলেরই একজন আরেকজনকে গহীন বনে তার একটা ছবি তুলে দিতে বলে। কিন্তু হতবাক হওয়ার মত বিষয় হচ্ছে যে- ছবিটি তুলতে গিয়ে লোকটি চিৎকার করে অজ্ঞান হয়ে যায়। সেই লোকের এর পর কি হয়েছে তা নিয়ে মতবিরোধ আছে তবে কেউ কেউ বলেছেন এই ঘটনার দুদিন পর একটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে লোকটির হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয়। তোলা ছবিটি পরবর্তিতে ডেভেলপ করার পর দেখা যায় যে- যার ছবি তোলা হচ্ছে তার পেছনে সাদা রঙের আবছা নারীমূর্তি দাঁড়িয়ে আছে। যদিও অনেকেই পুরো ঘটনাকে গুজব হিসেবে উড়িয় দিয়েছিলেন সেই সময়ে, কিন্তু ঘটনার পেছনে কি আছে তা কেউ বলতে পারেনি। ঐ ছবিটিকে অনেকেই ফটোশপের কারসাজি বলে অভিহিত করছেন, কিন্তু সেই আমলে অত ভাল কম্পিউটার ছিল না বাংলাদেশে আর ফটোশপ তো এসেছে আরও অনেক পরে। তবে এর পর আর এই ধরণের ঘটনা শোনা যায়নি কখনো। তাই বাংলাদেশের ৫টি ভুতুড়ে স্থান এর মধ্যে এটি স্থান পেয়েছে।

গদ্রবঙ্গা – এক ভয়ংকর অপদেবতা

বাংলাদেশ ও ভারতের অনেক অংশে সাঁওতাল নামক এক আদি বাসী গোষ্ঠী বসবাস করে। এই সব উপজাতিরা অনেক ধরণের দেব-দেবীর পুজা করে। কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে এই সব দেব-দেবীর মধ্যে সব গুলো কিন্তু ভাল নয়। এর মধ্যে কিছু মাঝে কিছু আছে যারা অপদেবতা। এমনই এক ধরনের অপদেবতার নাম হচ্ছে “গদ্রবঙ্গা” , অনেক সাঁওতাল যার পুজো  করে থাকে।

এই সমস্ত ভুতুড়ে স্থান ছাড়াও বাংলাদেশে আরও অনেক ভুতুড়ে স্থান রয়েছে বলে লোকমুখে কথা প্রচলিত আছে। আমরা আগামীতে সেসব স্থানের উপর প্রতিবেদন বানাবো বলে আশা রাখছি। এই ধরনের প্রতিবেদন নিয়মিত পড়ার জন্য ভিজিট করুন ++ আর ভিডিও দেখার জন্য সাবস্কাইব করে রাখুন থ্রিলার মাস্টার ইউটিউব চ্যানেল।

পৃথিবীর সবচেয়ে নিষিদ্ধ ১০টি জায়গা!


পৃথিবীতে এমন কিছু জায়গা আছে যেখানে মানুষের দর্শন করা বা প্রবেশ প্রায় নিষিদ্ধ! এরকম বেশ কিছু জায়গা আছে। তার পেছনে কারণটা কোনো ঐতিহাসিক তথ্য বা বিপদের আশঙ্কা হতে পারে। এখানে এরকমই কিছু নিষিদ্ধ এলাকার তালিকা দেওয়া হল। এই জায়গাগুলো সাধারণ মানুষের জন্য ক্ষতিকারক মনে করা হয়। এর ফলে এখানে প্রবেশ প্রায় মানা।

স্ভালবার্ড সিড ভল্ট 
এটা এক অতি প্রয়োজনীয় জায়গা, নরওয়ের প্রত্তন্ত এক দ্বীপে। খবর অনুযায়ী, এখানকার সুরক্ষা ব্যবস্থা চরম। ভল্ট প্রায় ১২০ মিটার লম্বা। এখানে পৃথিবীর সব রকমের বীজের সংরক্ষণ করা হয়েছে। যদি কোন চরম সঙ্কট দেখা দেয়, তাহলে এর ব্যবহার করা যাবে এই পরিকল্পনায়।

ভ্যাটিকানের গোপন নথিপত্র 
বাছাই করা অভিজাত কিছু মাত্র ভ্যাটিকানের সদস্য এই অনন্য গ্রন্থাগারে প্রবেশ করতে পারে। শয়তানের সাথে যোগ স্থাপন, অন্য গ্রহের বিভিন্ন রুপ ও প্রাচীন মায়া সম্পর্কিত তথ্য - এখানে সব গোপন বই ও তথ্য রাখা আছে। বেশ গা ছমছমে ব্যাপার, তাই না?

পাইন গ্যাপ 
শুধু একটা এরিয়া ৫১ আছে ভেবে অস্ট্রেলিয়ার পাইন গ্যাপ এলাকাটা ভুলে যাবেন না। খবর অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় গোপন তথ্য (সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্ট এজেন্সি) ও অস্ট্রেলিয়ান সরকার এই এলাকাটার পর্যবেক্ষণ সর্বদা করে চলেছে। এই জায়গার ওপর দিয়ে কেউ বিমান নিয়েও উড়ে যেতে পর্যন্ত পারেনা।

হ্যাভেন কো 
ইংল্যাণ্ডের সংলগ্ন একটা পুরোন বিমান-বিরোধি এলাকায় এই স্থানটির সৃষ্টি হয় ২০০০ সালে। এই নিষিদ্ধ জায়গায় বহু প্রতিষ্ঠানের ভিপিএন, সার্ভার, এনক্রিপশান কোড ও প্রক্সি রাখা আছে। কারোর যদি হ্যাভেন কো-তে কাজ করতে হয়, তাহলে কোন রকমের স্প্যাম, হ্যাকিং বা শিশু সংক্রান্ত কোন অশ্লীল জিনিস থাকলে চলবে না।

এক নম্বর এয়ার ফোর্স 
এটা পৃথিবীর অন্যতম এক গোপনীয় স্থান! পৃথিবীতে কারোর এখানে প্রবেশের অধিকার নেই। কেউ জানেই না ওই বিমানের ভেতরে আছেটা কি! খুবই উচ্চ নিরাপত্তা সম্পন্ন সুরক্ষা ব্যবস্থায় বেষ্টিত এই বিমানে প্রবেশ করতে গেলে আমেরিকার রাষ্ট্রপতির সুরক্ষা ব্যবস্থার তালিকায় অন্তত এক বছর থাকতে হয়। অবিশ্বাস্য!!

স্নেক আইল্যাণ্ড (সাপের দ্বীপ) 
এটা পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ানক জায়গা! পৃথিবীর সবচেয়ে বিষাক্ত সাপের বাস এই দ্বীপে। এই বিষ এমনি যে মানুষের মাংস পর্যন্ত গলিয়ে দিতে পারে। এতে যদি আপনি ভয় না পান, তাহলে আপনি যে আর কিসে ভয় পাবেন কে জানে!

কোকা-কোলা ভল্ট 
আমাদের সবার প্রিয় এই ঠাণ্ডা পানীয়ের গুপ্ত ফর্মুলা রাখা আছে এই গোপন দেরাজে। শুধু অল্প কিছু কর্মী যারা ওখানে কাজ করে, তারাই পারে এই জায়গায় প্রবেশ করতে।

ফোর্ট নক্স 
আমেরিকায় এই জায়গাটিতে দেশের সব মূল্যবান জাতীয় সম্পদ সংরক্ষিত আছে। প্রায় ৩০,০০০ হাজার সৈন্য দ্বারা পাহাড়ায় রাখা এই জায়গাটি মনে করা হয় আমেরিকার সবচেয়ে সুরক্ষিত জায়গা।

গোল্ড ভল্ট – ব্যাঙ্ক অফ ইংল্যাণ্ড 
সোনা রাখার এই দেরাজে প্রায় ৫০০০টন সোনা রাখা আছে! জায়গাটি ইংল্যাণ্ডে। এখানে প্রবেশ করতে হলে বোমা-রোধক একটা দরজা পেরোতে হয়। সেটা পার হতে হলে ব্যবহৃত হয় উচ্চ-মানের কন্ঠস্বর চেনার মত এক ব্যবস্থা।

রুম ৩৯ 
রুম ৩৯-কে "কোর্ট অফ ইকনমি" বলেও আখ্যা দেওয়া হয়ে থাকে। এই জায়গাটার সৃষ্টি ১৯৭০ সালে। উত্তর কোরিয়ার কিম জুং-উনের জন্য সব বিদেশি মুদ্রা কেনাকাটা এখানের করা হয়ে থাকে।

বাংলাদেশের রহস্যময় ৫টি স্থান


ছাপ্পান্ন হাজার বর্গ মাইলের এ বাংলাদেশে রয়েছে অসংখ্য রহস্যময় জায়গা, যার কোন কোনটি সম্পর্কে বেশীর ভাগ মানুষ অবগত থাকলেও বেশির ভাগ সম্পর্কে আমরা তেমন কিছুই জানিনা। YMBতে আজ আমরা বাংলাদেশের এমন ৫টি রহস্যপূর্ণ স্থান নিয়ে আলোচনা করব, যেগুলো সম্পর্কে সম্ভবত এর আগে আপনি তেমন কিছুই জানতেন না।

১) বরিশাল গানস/গানস অব বরিশাল

বরিশাল গানস বলতে সাধারণত ঊনবিংশ শতাব্দীতে তৎকালীন পূর্ববঙ্গের বরিশালের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে যে বিকট কিছু শব্দ শুনা যেত তাদেরকে বোঝায়। বিকট এ শব্দের সাথে ঢেউয়ের শব্দের চেয়ে কামানের গোলা দাগার শব্দের বেশি মিল ছিল বলে জানা যায়। কখনও কখনও একটা, আবার কখনও দুই বা তিনটি শব্দ একসাথে শোনা যেত। দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল থেকে শব্দগুলো বেশি শোনা যেত। অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত শব্দগুলো বেশি শোনা যেত । প্রথমে ব্রিটিশরা মনে করত এ শব্দগুলো জলদস্যুদের কামান দাগার, কিন্তু বহু অনুসন্ধান করেও এর কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি।

বরিশাল গানস কিভাবে সৃষ্টি হয়েছিল সে সম্পর্কে বেশ কয়েকটি অনুমিত ধারণা রয়েছে, তবে এদের কোনটিই সঠিক ভাবে প্রমাণিত হয় নি। অনেকে এটাকে ভূমিকম্প, বজ্রপাত, মোহনায় ঢেউয়ের ধাক্কা প্রভৃতির সাথে তুলনা করেছেন।

বরিশালের মত পৃথিবীর আরও কিছু এলাকায়ও এ ধরনের শব্দ শোনা গেছে বলে জানা যায়। বিভিন্ন নথিপত্র থেকে ১৮৭০ সালের দিকে প্রথম বারের মত বরিশাল গানসের কথা জানা যায়। ১৮৮৬ সালে কলকাতার এশিয়াটিক সোসাইটির হিসাব অনুযায়ী খুলনা, বরিশাল, নোয়াখালী, নারায়ণগঞ্জ, হরিশপুর প্রভৃতি স্থানে এ শব্দ শোনা গেছে বলে জানা যায়। অনেকের মতে ১৯৫০ সালের এর পরে এই শব্দ আর কেউ কখনো শোনেনি।

২) চিকনকালা/নিফিউ পাড়া

মায়ানমার সীমান্ত ঘেঁষা বাংলাদেশের অন্যতম উঁচু আর সবচেয়ে দুর্গম গ্রামগুলোর একটি ‘চিকনকালা’। চিকনকালা গ্রামের বসতিদের অধিকাংশই আদিবাসী মুরং বা ম্রোরা সম্প্রদায়ের। তবে এরা কিন্তু খুব চমৎকার উপভোগ্য মানুষ। কখনো যদি আপনি ওই এলাকায় ঘুরতে যান আপনার মনে হতে পারে এই অঞ্চলটি একদমই যেন পৃথিবীর বাইরে। মুরং সম্প্রদায়ের গ্রামটির অবস্থান ঠিক বাংলাদেশ-বার্মা নো-ম্যানস ল্যান্ডে। এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২৭০০ ফুট ওপরে অবস্থিত।

গ্রামের লোকজনের মতে, এই বনে অতৃপ্ত অপদেবতা বাস করেন। প্রতিবছরই হঠাৎ একদিন কোনো জানান না দিয়ে বনের ভেতর থেকে অদ্ভুত একটি ধুপধাপ আওয়াজ আসে। আর এই আওয়াজ শুনলে গ্রামের শিশু থেকে বৃদ্ধ সবাই আতঙ্কে জমে যান। তারা তখন মনে করেন, পিশাচের ঘুম ভেঙেছে। এটিই সে আওয়াজ করছে। বনের ভেতরে থাকা কাঠুরে বা শিকারির দল তখন ঊর্ধ্ব শ্বাসে নিজের জীবন হাতে নিয়ে বন থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেন। কিন্তু প্রতিবছরই তাদের এক-দু’জন পেছনে রয়ে যায়। তারা নাকি আর কোনোদিন গ্রামে ফিরে আসে না। বেশ ক’দিন পরে হয়তো জঙ্গল থেকে তাদের মৃতদেহ আবিষ্কার হয়। সারা শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই। কিন্তু কি দেখে ভয় পেয়েছে, আর কিভাবে কোনো ক্ষতচিহ্ন ছাড়া মারা গেছে সেই রহস্য এখনো চিকনকালার লোকজন ভেদ করতে পারেনি।

৩) লালবাগ কেল্লার সুড়ঙ্গ

বাংলাদেশেরর মানুষের কাছে খুবেই পরিচিত একটি দুর্গ লালবাগ কেল্লা। ছোট বেলা থেকেই বইপত্রে বিভিন্ন সময় লালবাগের অনেক ইতিহাস পড়তে পড়তে বড় হয়েছেন। কিন্তু এই লালবাগ নিয়ে আছে অনেক রহস্য যা অনেকেই জানেন আবার অনেকেই জানেন না। শোনা যায় লালবাগ কেল্লায় নাকি এমন একটি সুড়ঙ্গ আছে যার ভেতরে কেউ প্রবেশ করে আজ পর্যন্ত ফেরত আসতে পারেনি। লালবাগ কেল্লার নিচ দিয়ে অনেকগুলো সুড়ঙ্গ আছে, যেগুলো জমিদার আমলে করা। জমিদাররা বিপদ দেখলে সেই সব পথে পালিয়ে যেতেন। তেমনই একটা সুড়ঙ্গ আছে, যার ভেতরে কেউ ঢুকলে তাকে আর ফিরে পাওয়া যায় না।

পরীক্ষা করার জন্য একবার ২টা কুকুরকে চেইনে বেঁধে সেই সুড়ঙ্গে নামানো হয়েছিলো। চেইন ফেরত আসে কিন্তু কুকুর দুটো ফিরে আসে নি। সুড়ঙ্গটি মোঘল আমলে বানানো হয়। তখন এটি এখন যেমনটা দেখা যায় তেমনটা ছিলনা। শোনা যায়, কিছু বিদেশী বিজ্ঞানীরা গবেষণা করার জন্য কুকুর পাঠায়, কিন্তু সে কুকুর আর ফিরে আসেনি! পরে তারা চিন্তা করে শেকল দিয়ে বেধে কুকুর পাঠায়, কিন্তু সেখানে কুকুরের শিকল আসলেও কুকুরের চিহ্ন পাওয়া যায়নি!

কারো কারো মতে, এখানে এমন এক গ্যাস আছে যাতে প্রাণীর মাংস খসে গলে যায়, কারো মতে এখানে এমন এক ভয়ংকর শক্তি আছে যার কারণে কেউ প্রবেশ করলে আর ফিরে আসবে না! আর একটা কথা, এখানে এতটাই অন্ধকার যে কোন লাইট বা আলো কাজে আসেনা। এখন এটা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, কেউ যদি কেল্লায় যান তবে পাহাড়ের উপরে উঠলেই দেখতে পাবেন।

লালবাগ কেল্লার রহস্যময় এ সুড়ঙ্গ তৈরির ইতিহাস সম্পর্কে জানা যায় যে সুবেদার আজম শাহ ১৬৭৮ সালে ঢাকায় একটি প্রাসাদ দুর্গ নির্মাণে হাত দেন। তখন ঢাকার সুবেদারদের থাকার জন্য স্থায়ী কোনো ব্যবস্থা ছিল না। স্বল্প সময়ের জন্য দায়িত্ব পালন করতে আসা সুবেদাররা ঢাকায় স্থায়ী ভবন নির্মাণে কোনো উৎসাহ দেখান নি। যুবরাজ আযম শাহ প্রথম এই উদ্যোগ নেন। তিনি অত্যন্ত জটিল একটি নকশা অনুসরণ করে দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন। তিনি দুর্গের নামকরণ করেন কিল্লা আওরঙ্গবাদ। কিন্তু পরের বছর সম্রাট আওরঙ্গজেব তাঁকে দিল্লী ফেরত পাঠান। ফলে দুর্গের কাজ অসমাপ্ত রেখে তাঁকে দিল্লী চলে যেতে হয়। এরপর সুবেদার হয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ঢাকা আসেন শায়েস্তা খাঁ। যুবরাজ আযম শাহ তাঁকে লালবাগ দুর্গের অসমাপ্ত কাজ শেষ করার জন্য অনুরোধ করেন। শায়েস্তা খাঁ দুর্গের কাজ পুনরায় শুরু করেন। কিন্তু ১৬৮৪ সালে তাঁর অতি আদরের মেয়ে পরি বিবি অকস্মাৎ মারা গেলে তিনি অশুভ মনে করে এর নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেন। এর পরিবর্তে নির্মাণ করেন চিত্তাকর্ষক পরি বিবির সমাধিসৌধ।

৪) সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড

“নো গ্রাউন্ড” মানে অতল স্পর্শী। রহস্যময় এ খাতকে বহু আগে ব্রিটিশরা “সোয়াচ অফ নো গ্রাউন্ড” নামে আখ্যায়িত করে। এর কারণ হলো সোয়াচ অফ নো গ্রাউন্ড যেখানে শুরু সেখানে হঠাৎ করেই পানির গভীরতা বেড়ে গেছে , সাগরের তলদেশের রহস্য। এটি খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত, যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে। এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত। গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত। পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের আরও কিছু বদ্বীপ-মুখী খাদ দেখতে পাওয়া যায়। সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের প্রস্থ ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার, তলদেশ তুলনামূলক ভাবে সমতল এবং পার্শ্ব দেয়াল প্রায় ১২ ডিগ্রি হেলানো। মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।

ধারণা করা হয়, বঙ্গোপসাগরের নিচে কান্দা ও উপ-বদ্বীপ উপত্যকার আকারে সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড সাগর অভিমুখে প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার সম্প্রসারিত হয়ে আছে। সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের দিকে মুখ করে গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের মোহনার কাছে বালুচর ও শৈলশিরার অবস্থিতি এই ইঙ্গিতই বহন করে যে, এই খাদ দিয়েই পলল বঙ্গোপসাগরের গভীরতর অংশে বাহিত হয়।

সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের উৎপত্তি নিয়ে কিছু মতভেদ রয়েছে। অবশ্য সাধারণভাবে মনে করা হয়ে থাকে যে, সোপান প্রান্ত ও সোপান প্রান্তের ঊর্ধ্ব ঢালে উৎপন্ন ঘোলাটে স্রোত ও নদী-প্রবাহের সম্মিলিত প্রভাব সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড গঠনের জন্য দায়ী।

৫) বগালেক

বান্দরবান জেলার অন্যতম দর্শনীয় স্থান বগালেক। অত্যাশ্চর্য এই হ্রদটি পাহাড়ের চূড়ায় সমুদ্র পৃষ্ট থেকে প্রায় ১৭০০ ফুট উপরে ১৫ একর জায়গা জুড়ে জলরাশি সঞ্চিত হয়ে সৃষ্টি হয়েছে। বম ভাষায় বগা মানে ড্রাগন। পাহাড়ের কোলে ম্রো, বম, তঞ্চঙ্গ্যা, ত্রিপুরা প্রভৃতি নৃগোষ্ঠীর মানুষ বাস করত।

স্থানীয় পাহাড়ি মানুষদের মতে বহু কাল পূর্বে এখানে একটি চোঙা আকৃতির পাহাড় ছিল। দুর্গম এ পাহাড়টি ছিল ঘন অরণ্যে ঢাকা। সেই পাহাড়ের নিকটবর্তী গ্রামগুলো থেকে প্রায়ই গবাদিপশু আর ছোট শিশুরা ওই পাহাড়টিতে গিয়ে আর ফিরে আসতো না! অতিষ্ঠ গ্রামগুলো থেকে সাহসী যুবকদের একটি দল এর কারণ খুঁজতে গিয়ে দেখতে পায়, সেই পাহাড়ের চূড়ার গর্তে ভয়ঙ্কর দেখতে এক বগা/ড্রাগন বাস করছে। তখন তারা সে ড্রাগনটিকে সেখানে মেরে ফেলে। কিন্তু ড্রাগনটির মৃত্যুর সাথে সাথে তার গুহা থেকে ভয়ঙ্কর গর্জনের সাথে বেরিয়ে আসে একটি আগুনের লেলিহান, যা আশপাশ পুড়িয়ে দেয়। আর চোখের পলকেই তখন পাহাড়ের চূড়ায় সৃষ্টি হয় সেই মনোরম লেকের।

Start Work With Me

Contact Us
JOHN DOE
+123-456-789
Melbourne, Australia