Header Ads Widget

উপকারী ফল খেজুর সম্পর্কে আপনার ভুল ধারণা গুলো শুধরে জেনে নিন অজানা তথ্য


খেজুর সম্পর্কে আমাদের অনেকেই ধারণা যে খেজুর শুধু রমজান মাসেই পাওয়া যায় আর রমজান মাসেই খাওয়া হয় এটা আসলে আমাদের সম্পূর্ণ ভুল ধারণা খেজুর কেননা খেজুর বার মাসই পাওয়া যায়।আসুন আমরা জেনে নিই খেজুর সম্পর্কে অজানা সব তথ্য:


একাধিক পেটের রোগের প্রকোপ কমায় :

প্রচুর পরিমাণ ফাইবার থাকার কারণে নিয়মিত এই ফলটি খেলে বাওয়েল মুভমেন্টে মারাত্মক উন্নতি ঘটে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই কোনো ধরনের পেটের রোগই আর মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে না। প্রসঙ্গত, একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে প্রতিদিন ৩টি করে খেজুর খেলে শরীরে অন্দরে উপকারী  ব্যাকটেরিয়ায় মাত্রা বৃদ্ধি পায়। ফলে বদহজম, কোলাইটিস ও হেমোরয়েডের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।

হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে : 
খেজুরে উপস্থিত খনিজ এবং ভিটামিন হাড়কে এতটাই শক্তপোক্ত করে দেয় যে বয়স্কালে অস্টিওপোরোসিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা একেবারে কমে যায়।

অ্যানিমিয়া রোগকে দূরে রাখে :
 শরীরে আয়রনের ঘাটতি দেখা দিলেই মূলত এই ধরনের রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। তাই তো শরীরে যাতে এই খনিজটির ঘাটতি কোনও সময় দেখা না দেয়, সেদিকে খেয়াল রাখা একান্ত প্রয়োজন। আর এক্ষেত্রে খেজুর দারুণভাবে সাহায্য করতে পারে। কীভাবে? এই ছোট্ট ফলটি আয়রণ সমৃদ্ধি। তাই তো অ্যানিমিয়ার মতো রোগকে দূরে রাখতে বিশেষ ভুমিকা নেয়।

অ্যালার্জির প্রকোপ কমায় : 
২০০২ সালে প্রকাশিত এক গবেষণা পত্রে দাবি করা হয়েছিল খেজুরে উপস্থিত সালফার কম্পাউন্ড অ্যালার্জির মতো রোগ থেকে দূরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে : 
ডায়াটারি ফাইবারে সমৃদ্ধ হওয়ার কারণে নিয়মিত খেজুর খেলে শরীরে ‘এল ডি এল’ বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে শুরু করে। ফলে হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের আশঙ্কা হ্রাস পায়। সেই সঙ্গে এতে উপস্থিত পটাশিয়াম আরও সব হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও কমায়।

ওজন বাড়ায় : 
নানা কারণে যাদের ওজন মাত্রাতিরিক্ত হারে কমে যেতে শুরু করেছে, তারা আজ থেকেই খেজুর খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার পাবেন। কারণ এই ফলটিতে উপস্থিত ক্যালরি শরীরে ভাঙন রোধ করে ওজন বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

সংক্রমণের আশঙ্কা হ্রাস : 
খেজুরে প্রচুর মাত্রায় প্রাকৃতির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা একাধিক রোগকে দূরে রাখার পাশাপাশি শরীরের গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এখানেই শেষ নয়, এই ফলটিতে বেশ কিছু অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রপাটিজও রযেছে, ফলে নিয়মিত খেজুর খেলে সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও অনেকাংশে হ্রাস পায়।

খেজুরের পুষ্টিগত গূন অসাধারণ। প্রতি ১০০ গ্রাম খেজুরে থাকে –
ক্যলোরি –           ২৭৭
কার্বোহাইড্রেট –  ৭৫ গ্রাম
ফাইবার –             ৭ গ্রাম
প্রোটিন –              ২ গ্রাম
পটাশিয়াম-        ২০% অফ আর ডি আই
ম্যাগনেশিয়াম    ১৪%     ,,           ,,
কপার               ১৮%     ,,           ,,
ম্যাঙ্গানিজ         ১৫%     ,,           ,,
আইরন                ৫%    ,,            ,,
ভিটামিন বি৬      ১২%   ,,           ,,



এছাড়াও খেজুর অ্যান্টি অক্সিডেন্টে ভরপুর। যেমন –
ক্যালাডোনয়েডস
ক্যারাটিনয়েডস
ফেনোলিক অ্যাসিড ইত্যাদি।

ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গিতেও খেজুরের অপরিসীম গুরুত্ব রয়েছে। বিখ্যাত হাদীস গ্রন্থ বুখারী শরীফে আছে, কেউ প্রতিদিন সকালে সাতখানা খেজুর খেলে কোনো বিষ বা ম্যাজিক তার ক্ষতি করতে পারবে না।

Post a Comment

0 Comments